About MR Laboratory

জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস

 

জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস

জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস

বাংলাদেশ ভৌগলিকভাবে দুর্যোগপ্রবণ। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে প্রতি বছরই বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়ে থাকে। সঠিক সময়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করা গেলে এসব দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করে জনগণের জানমালের ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। 

জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস আজ। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘মুজিববর্ষের সফলতা, দুর্যোগ প্রস্তুতিতে গতিশীলতা’।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে আজ দিবসটি পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। 

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমানে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্ব-প্রস্তুতিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার কার্যকর কৌশল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

রাষ্ট্রপতি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় নানাবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথেই বর্তমান সরকার দুর্যোগ প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের টেকসই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করতে এবং মুজিববর্ষের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দুর্যোগ প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে গ্রামীণ রাস্তায় সেতু-কালভার্ট নির্মাণ, গ্রমীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসইকরণের লক্ষ্যে হেরিংবোন বন্ডকরণ, উপকূলীয় এলাকায় বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, জেলা ত্রাণ গুদাম-কাম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তথ্যকেন্দ্র নির্মাণ, ভূমিকম্প ও অন্যান্য দুর্যোগকালে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহ, মুজিব কিল্লা নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। 


জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস,জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস আজ,নানা আয়োজনে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত,জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন।,পাবনায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালন,দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস,জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০২২,জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০১৯ | 10 march 2019,দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস,জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস,সোনারগাঁয়ে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০১৯ পালিত ॥ sonargaon tv,দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর

জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবসের তারিখ পরিবর্তন

মহান স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় অবশেষে পরিবর্তন করা হচ্ছে ‘জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস’। আগের বছরগুলোতে দিবসটি মার্চ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার পালিত হলেও এবার ১০ মার্চ পালিত হবে দিবসটি। মন্ত্রণালয় সূত্রে এ খবর পাওয়া গেছে।

১৯৯৭ সাল থেকে মার্চের শেষ বৃহস্পতিবার সারাদেশে ‘জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস’ পালিত হয়ে আসছে। এরপর দিবসটিকে ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত করে ২০১২ সালের ৭ নভেম্বর মন্ত্রিসভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। এভাবে চলে আসার এক পর্যায়ে গত বছর মহান স্বাধীনতা দিবস পড়ে মার্চের শেষ সপ্তাহে। একই দিনে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ দিবস পড়ায় সমস্যার সৃষ্টি হয় সংশ্লিষ্টদের জন্য। এ কারণে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিশেষ সম্মতিতে ৩১ মার্চ জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালন করা হয়। মন্ত্রিপরিষদের ওই সম্মতিপত্রে সুবিধাজনক অন্য কোনও তারিখে দিবসটি পালন করার ব্যাপারে অনুশাসন দেওয়া হয়।

জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাইয়ের পর জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালনের জন্য ১০ মার্চকে নির্বাচন করে। কারণ এদিন জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের কোনও দিবস নেই।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দিবসটির তারিখ নির্ধারণে গত ৬ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার আয়োজন করা হলে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ১০ মার্চ ‘জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস’ পালনের বিষয়ে একমত পোষণ করে।

আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত। বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদী ভাঙন, খরা, অগ্নিকাণ্ড, ভূমিধস ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ এদেশের জনজীবনে নিত্যদিনের ঘটনা। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে দুর্যোগের সংখ্যা ও ভয়াবহতা বহুলাংশে বেড়েছে। সিসমিক জোনে অবস্থিত হওয়ায় এ দেশটি ভূমিকম্পের ঝুঁকিতেও আছে।

কার্যপত্রে আরও বলা হয়, দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ বহির্বিশ্বে রোল মডেল বিবেচিত হলেও ভূমিকম্পসহ অন্যান্য দুর্যোগে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এ জন্য আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে দিবসটি উদযাপন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।


শেখ হাসিনা বলেন, দুর্যোগের আগাম সতর্কতা ও দৈনন্দিন আবহাওয়া বার্তা জানতে মোবাইলে ১০৯০ (টোল ফ্রি) আইভিআর পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। ফলে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, বজ্রপাত, শৈত্যপ্রবাহ ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগে পূর্বপ্রস্তুুতি গ্রহণপূর্বক জনগণকে সুরক্ষিত করে সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে সক্ষমতা অর্জিত হয়েছে। 



জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২২

আজ ১০ মার্চ ‘জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস-২০২০’। দেশব্যাপী পালন করা হচ্ছে দিবসটি। ‘দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে পূর্ব প্রস্তুতি, টেকসই উন্নয়নে আনবে গতি’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারে জাতীয় দুর্যোগ প্রতিরোধ দিবস পালন করা হচ্ছে।


দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সরকার দেশে একটি কার্যকর ও শক্তিশালী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত সময়োপযোগী আইন, বিধি ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলা ও ঝুঁকি হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে বর্তমান সরকার সক্ষম।’


তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে দেশের যেকোন দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার লক্ষ্যে দুর্যোগ প্রস্তুতি কর্মসূচির ওপর গরুত্বারোপসহ সকল উন্নয়ন কর্মসূচিতে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রম সম্পৃক্ত করা হয়েছে।’


বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাসে ১৯৭৩ সালে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) গ্রহণ করেছিলেন। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস থেকে জানমাল রক্ষার জন্য দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে তৈরি করা হয়েছে বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, মুজিব কিল্লা।’


তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫-২০৩০ এর দুর্যোগ সম্পর্কিত ধারণাসমূহ বাস্তবায়নের জন্য বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশ একটি গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ। এ কারণেই বাংলাদেশের অবস্থান দুর্যোগ প্রবণ এলাকায়। সুদূর অতীত থেকেই বাংলাদেশ বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, ভূমিকম্পের মতো ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করে আসছে। তাই দুর্যোগের কবল থেকে জানমালের ক্ষতি হ্রাস করার লক্ষ্যে দেশের সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে তাদের সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। আমরা ইতোমধ্যে ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ গ্রহণ করেছি। দুর্যোগে বিপদ সংকেত প্রচার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ঝুঁকিহ্রাস প্রস্তুতি, দ্রুত সাড়াদান, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, পুনর্বাসন ও পুনর্গঠন ইত্যাদি কার্যক্রমে আমাদের সরকার তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।’


তিনি বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা এবং মাঠপর্যায়ে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ে সারাবছর বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়ার পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থায় কমর্রত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ এবং উপকূলীয় জেলাসমূহের সর্বস্তরের জনসাধারণের মধ্য থেকে ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক গঠন করার পাশাপাশি ৬২ হাজার প্রশিক্ষিত নগর স্বেচ্ছাসেবক তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা ও দৈনন্দিন আবহাওয়া বার্তা জানতে মোবাইলে ১০৯০ নম্বরে (টোল ফ্রি) আইভিআর পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এর ফলে বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত প্রলয়ংকরী বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধস, বজ্রপাত, শৈত্যপ্রবাহ ইত্যাদি দুর্যোগ সাফল্যের সঙ্গে মোকাবিলা করা হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী বাণীতে উল্লেখ করেন।’

Next Post Previous Post
No Comment

You cannot comment with a link / URL. If you need backlinks then you can guest post on our site with only 5$. Contact

Add Comment
comment url

Bottom sticky ads

Footer Ads